প্রযুক্তি
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ভোলার এসপির ফেসবুক আইডি হ্যাকড

ওয়ান নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিতঃ অক্টোবর ২২, ২০১৯ , ১১:১৫ পূর্বাহ্ন

ভোলায় চলমান উত্তেজনার মধ্যেই পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার মোহাম্মদ কায়সারের ফেসবুক আইডি হ্যাকড হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

ফেসবুক আইডি হ্যাকড হওয়ার বিষয়টি এসপি সরকার মোহাম্মদ কায়সার নিজেই গণমাধ্যমকে  নিশ্চিত করেছেন।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত রোববার ভোলার বোরহানউদ্দিনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক যুবকের বিচারের দাবিতে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে বিক্ষোভ থেকে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, এক যুবকের হ্যাক হওয়া আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বক্তব্য ছড়ানোর ঘটনা থেকে এ পরিস্থিতির সূত্রপাত। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত হন। নিহত চারজনকে নিজেদের কর্মী-সমর্থক বলে দাবি করেছে তৌহিদী জনতা। সংঘর্ষে পুলিশের ১০ সদস্যসহ দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

বোরহানউদ্দিন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আজিজ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ হাজার মানুষকে আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল সমাবেশ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ একটি মসজিদের দোতলায় আশ্রয় নিলেও তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, শুক্রবার বিকেলে বিপ্লব চন্দ্র শুভর নিজের ছবিসংবলিত ফেসবুক আইডি থেকে আল্লাহ ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে গালাগাল ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে কয়েকজন ফেসবুক বন্ধুর কাছে মেসেজ পাঠানো হয়। যাদের মেসেজ পাঠানো হয়, তারা এর স্ক্রিনশট নিয়ে ফেসবুকে দিলে লোকজন প্রতিবাদ জানানো শুরু করেন। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এ নিয়ে বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক দফায় বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিপ্লব চন্দ্র বোরহানউদ্দিন থানায় তার আইডি হ্যাক হয়েছে মর্মে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে আসেন। এ সময় পুলিশ বিষয়টি তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লব চন্দ্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আল্লাহ ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে ‌বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামের এক ব্যক্তির বিচারের দাবিতে ঈদগাহ মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে তৌহিদী জনতা। এ সমাবেশের জন্য পুলিশ অনুমতি দেওয়ার আগেই তারা মাইকিং করে। পরে সমাবেশের জন্য পুলিশ অনুমতি না দিলেও সকাল নয়টা থেকে লোকজন মাঠে জড়ো হতে থাকে। মিছিল করতে না পেরে সেখানেই অবস্থান শুরু করে তারা। উত্তেজনা থেকে একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গুলি ছুড়লে চারজন নিহত হন। পুলিশের দাবি, উত্তেজিত লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করলে তারা গুলি করতে বাধ্য হয়।

ওএন/জি

  • 92
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    92
    Shares
  •  
    92
    Shares
  • 92
  •  
  •  
  •  
  •