স্বদেশ
বৃহঃস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০ ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আইসোলেশন থেকে ফিরলেন বাড়ি, জানলেন করোনা পজিটিভি

ওয়ান নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিতঃ জুলাই ৩০, ২০২০ , ৪:১৫ অপরাহ্ন
করোনা পজিটিভ

মাদারীপুর জেলার শিবচরে কোভিড-১৯ (করোনা) আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ জুলাই উপজেলার নব নির্মিত করোনা আইসোলেশনে দুই যুবক। আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয়বার নমুনা দেয়ার পর গত ২৫ জুলাই তাদের দুইজনকে আইসোলেশন থেকে রিলিজ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় ওই সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু এর দুইদিন পর (২৭ জুলাই) পাওয়া করোনা রিপোর্টে দেখা গেছে রিলিজ পাওয়া ওই দুইজনের একজন করোনা পজিটিভ!

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি মাসের ১৩ তারিখে করোনা পজিটিভ নিয়ে উপজেলার বহেরাতলা ইউনিয়নে হাজী আবুল কাশেম উকিল মা ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নব নির্মিত করোনা আইসোলেশন কেন্দ্রে উপজেলার সন্যাসীরচর ইউনিয়নের রাজারচর ও উমেদপুর ইউনিয়নের চরকাঁচিকাটা গ্রামের দুই যুবক ভর্তি হন। এরপর ২৫ তারিখে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক রোগীর ব্যবস্থাপত্রে করোনা নেগেটিভ লিখে সাথে জিংক ও সিভিট ট্যাবলেট ১ মাস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ওই দিন  হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেন।

আর নেগেটিভ খবর শুনে খুশি মনে বাড়ি ফিরে এসে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু করেন ওই দুই যুবক। কিন্তু দুইদিন পর (২৭ জুলাই) করোনা টেস্টের রেজাল্ট আসলে রিলিজ পাওয়া ওই দুই ব্যক্তির নাম পাওয়া যায় তালিকায়। তাদের মধ্যে একজনের নামের সামনে পজিটিভ লেখা রয়েছে। অন্যজনের নেগেটিভ।

এ বিষয়ে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসা ব্যক্তি বলেন, ২৫ তারিখে করোনা নেগেটিভ লিখে দিয়ে তাদের দুইজনকে ছাড়পত্র দেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। কিন্তু দুইদিন পরে শুনি রিপোর্ট এসেছে। তাতে আমার সাথের ব্যক্তির পজিটিভ রয়েছে।

ছাড়পত্র পাওয়া অপর ব্যক্তি বলেন, ১৩ জুলাই করোনা পজিটিভ নিয়ে আইসোলেশন কেন্দ্রে ভর্তি হই। এরমধ্যে দ্বিতীয়বার নমুনা দেয়া হলে ২৫ তারিখ আমার করোনা নেগেটিভ জানিয়ে আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র দেন। পরে ২৭ তারিখ হাসপাতাল থেকে কেউ ফোন দিয়ে বলে’ আপনার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসছে।’

তিনি আরও বলেন, এই রকম কেন হলো বুঝলাম না। তবে হাসপাতাল থেকে ফোন পাবার পর বাড়িতেই আলাদা থাকছি। এখন শারীরিক ভাবে সুস্থই আছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইসোলেশন কেন্দ্রে দায়িত্ব থাকা ডা. হিল্লোল বলেন, হাসপাতাল থেকে ফোনে আমাকে জানানো হলে আমরা ব্যবস্থাপত্র দিয়ে দুইজনকে ছাড়পত্র দেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আসলে রেজাল্ট দেখার সুযোগ হয় না। হাসপাতাল থেকেই ফোনে নির্দেশনা দেয়া হয়। এমনটা তো হবার কথা নয়। বিষয়টি দেখছি যোগাযোগ করে। আপনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেন।

দায়িত্বরত অপর চিকিৎসক ডা. ইফফাত আফরিন বলেন, হাসপাতাল থেকে ফোনে নেগেটিভ রিপোর্ট জানানোর পরে আমরা তাদের ছাড়পত্র দিয়েছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা.শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমাদের কোঅর্ডিনেটর রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করে দেখি কি হয়েছে।

  • 327
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    327
    Shares
  •  
    327
    Shares
  • 327
  •  
  •  
  •  
  •